নাজীর আহম্মেদ খান| কালবিন্দু| শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এ এম
বর্তমান সময়ে হৃদরোগ বিশ্বের প্রধান মৃত্যু কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। দ্রুত জীবনযাপন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ এবং শারীরিক ব্যায়ামের অভাব—এসবই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদরোগ প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা নয়, দৈনন্দিন জীবনধারায় ছোট ছোট পরিবর্তনও অত্যন্ত কার্যকর।
লো-সোডিয়াম ও কম চর্বিযুক্ত খাবার: লবণ ও ট্রান্স-ফ্যাট কম খাওয়া উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
ফল ও সবজি: ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে।
সম্পূর্ণ শস্য ও ডাল: ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
প্রোটিনের উৎস: মাছ, লিন মাংস, বাদাম—যা হৃদপিণ্ডের পেশি শক্ত রাখতে সহায়ক।
সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট কার্ডিও ব্যায়াম যেমন হাঁটা, সাঁতার, সাইক্লিং।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
শক্তি ব্যায়াম: সপ্তাহে ২–৩ দিন হালকা ভার ওজন বা রেজিস্ট্যান্স ব্যায়াম।
দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ হৃৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর।
মেডিটেশন, ব্রিদিং এক্সারসাইজ ও যোগব্যায়াম স্ট্রেস কমাতে সহায়ক।
পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘণ্টা) হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
ধূমপান হৃদরোগের প্রধান ঝুঁকি। ধূমপান সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা জরুরি।
অ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণে রাখলে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহজ হয়।
প্রতি ছয় মাসে রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, শর্করা পরীক্ষা করা।
হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে নিয়মিত স্ক্রিনিং।
কার্ডিওলজিস্টরা বলছেন, “হৃদরোগ প্রতিরোধে জীবনধারার পরিবর্তনই সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। ছোট ছোট অভ্যাস বদল আপনার হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।”