মোঃ রুহুল আমিন খান | Times News 24 | Fast Online News Portal | শনিবার, ০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এ এম
প্রায়
৭৫ একর জায়গা জুড়ে গড়ে
ওঠা
এই
চিড়িয়াখানাটি বর্তমানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে
পরিচালিত হয়।
দেশের
বিভিন্ন অঞ্চল
থেকে
আনা
প্রাণীর পাশাপাশি বিদেশ
থেকেও
নানা
প্রজাতির পশু-পাখি এখানে সংরক্ষিত রয়েছে।
এই
বৈচিত্র্য শুধুমাত্র দর্শকদের বিনোদনের জন্য
নয়,
বরং
এটি
প্রাণিবৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবেও কাজ
করে।
চিড়িয়াখানার নকশা
এমনভাবে তৈরি
করা
হয়েছে
যাতে
প্রাণীরা প্রাকৃতিক পরিবেশে বাস
করতে
পারে।
চারপাশে বিশাল
জলাশয়,
সবুজ
ঘাসের
মাঠ,
গাছপালা ও
পাখির
কলতান
মিলিয়ে
একটি
প্রকৃতি–সদৃশ আবাসস্থল তৈরি
করা
হয়েছে।
এখানে
রয়েছে
পিকনিক
স্পট,
বিশ্রামাগার, কৃত্রিম হ্রদ
ও
শিশুদের খেলার
জায়গা।
চিড়িয়াখানার ভেতরের
পরিবেশে হাঁটতে
হাঁটতে
দর্শনার্থীরা এক
প্রকার
নীরব
বনে
প্রবেশ
করেন,
যেখানে
শহরের
কোলাহল
মিলিয়ে
যায়
প্রকৃতির সুরে।
এই
পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে
জাতীয়
চিড়িয়াখানা দক্ষিণ
এশিয়ার
অন্যতম
আধুনিক
চিড়িয়াখানায় পরিণত
হবে
বলে
আশা
করা
হচ্ছে।
প্রাণী
বিলুপ্তি রোধে
জাতীয়
চিড়িয়াখানা বিশেষ
ভূমিকা
রাখছে।
বিরল
প্রজাতির প্রাণীর প্রজনন
কর্মসূচি, প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং
সুরক্ষিত আবাসস্থল তৈরি
করে
চিড়িয়াখানা দেশীয় প্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে
কাজ
করছে।
শিশু দর্শনার্থী তাশরীফ আয়ান খান বলেন,
আমি ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে পঞ্চম
শ্রেণীতে পড়াশোনা করি, আমি মনে করি শিশুদের প্রকৃতি ও প্রাণী সম্পর্কে জানতে চিড়িয়াখানা
আশা খুব ভালো উদ্যোগ। এখানে আমরা বইয়ের বাইরে বাস্তবে প্রাণী দেখতে পাই। আমি মাঝে
মাঝে সময় পেলে বাবা-মায়ের সাথে এখানে ঘুরতে আসি। এখানে ঘুরতে আসলে প্রাণীর সম্পর্কে
বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব। এখানে
আসলে
প্রাণীদের সম্পর্কে জানা যায় এবং প্রকৃতিকে কাছ
থেকে
দেখার
সুযোগ
পাই ।
জাতীয়
চিড়িয়াখানা শুধু
ঢাকাবাসীর বিনোদনের কেন্দ্র নয়,
এটি
আন্তর্জাতিক পর্যটনের জন্যও
সম্ভাবনাময়। সরকার
যদি
আধুনিক
সুবিধা,
পরিচ্ছন্নতা এবং
পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে
পারে,
তাহলে
এটি
দেশের পর্যটন খাতে বিশাল অবদান রাখতে পারে।
জাতীয়
চিড়িয়াখানা বাংলাদেশের এক
অনন্য
সম্পদ—যেখানে শিক্ষা, বিনোদন,
প্রকৃতি ও
সংরক্ষণ মিলেমিশে একাকার
হয়ে
গেছে।
এটি
শুধু
প্রাণী
দেখার
জায়গা
নয়,
বরং
মানুষ ও প্রকৃতির সহাবস্থানের প্রতীক। যদি
যথাযথ
পরিকল্পনা ও
যত্ন
নেওয়া
যায়,
তবে
জাতীয়
চিড়িয়াখানা হতে
পারে
দক্ষিণ
এশিয়ার
অন্যতম
আদর্শ
প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন স্পট।